লোড হচ্ছে...
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত এক মাসে ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছে এবং এর কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেনি। এছাড়া, গত দুদিনে আরও ছয়টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য রুটে একটি আগমন ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ রুটেও একইভাবে একটি আগমন ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট বাতিল হয়। সালাম এয়ারের মধ্যপ্রাচ্য রুটেও একটি আগমন ও একটি বহির্গমন ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
৪ এপ্রিল, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক মাসে ২১৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে । এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহা রুটের এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
৩১ মার্চ, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আরও পাঁচটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহা বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়। মঙ্গলবার রাত ১০টা ১৮ মিনিটে বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২৫ মার্চ, ২০২৬
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী অন্তত ২৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
২ মার্চ, ২০২৬

